ইতিহাস মতে, এখানে মহামুনি ভার্গব বসবাস করতেন। অযোদ্ধার রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্র তার বনবাসের সময় এখানে এসেছিলেন। তারা আসবেন জানতে পেরে মহামুনি ভার্গব এখানে স্নানের জন্য তিনটি কুণ্ড সৃষ্টি করেন। তবে বর্তমানে কুণ্ডগুলো শুকিয়ে গেছে। রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতা যে কুণ্ডে স্নান করেন, তার নাম হয় সীতাকুণ্ড। এরপর কালের বিবর্তনে স্থানের নামকরণও করা হয় সীতাকুণ্ড।[৪] অন্য এক গবেষণা মতে, সীতাকুণ্ড শব্দটি আসলে ফার্সি শাত-ই-কন্দ شطِ کندہ (পার্বত্য সমুদ্রসৈকত) শব্দের বিকৃত/পরিবর্তিত রূপ৷ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী দিওয়ানি লাভের পর বিকৃত/পরিবর্তিত রূপটি স্থায়ীত্ব লাভ করে৷